জানার কোন অন্ত নাই, জানার ইচ্ছা বৃথা তাই, ভেবে যদি জানার ইচ্ছাকে দমন করে রাখা হয় তবে সে জীবনের কোন অর্থ নাই। কিন্তু সব জানতে হবে এমন কোন কথা নাই, তবে জানার ইচ্ছা থাকা চাই। আমাদের এই জানা জানির ইচ্ছাকে সূত্র করে, আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেইজটি। আমাদের জানতে চাওয়ার ইচ্ছা পুরনের লক্ষে কখনো জেনেছি মহাকাশ নিয়ে, কখনো জেনেছি সমুদ্র নিয়ে, কখনো ডুব দিয়েছি কৌতুক এর মাঝে, আবার ভয়ে কেঁপেছি ভুতের গল্প পড়ে, কখনোবা শিউরে উঠেছি কিছু মানুষের কার্যকলাপ জেনে। কখনো জেনেছি নতুন আবিষ্কারের কথা, আবার জেনেছি আদি ঐতিহ্যের কথা, এত সব কিছু করেছি শুধু জানতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে। সর্বশেষে ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেজ এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম জানাই।
|| ব্যাক্তিবর্গ বিশেষ || লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
|| ব্যাক্তিবর্গ বিশেষ || লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৭

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির নোটবুকে কি ছিল ?

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি! এক ধাঁধার নাম, এক রহস্যের নাম। তাকে নিয়ে নানা গবেষণা হয়, হচ্ছে। তবে সবকিছুর অর্থ এখনো জানা হয় নি তার সম্পর্কে। বিজ্ঞানীরা এই ধাঁধার কিছুটা হলেও সমাধান করতে পেরেছেন বলে দাবি জানিয়েছেন।

রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭

বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানীদের কিছু জগদ্বিখ্যাত উক্তি

বিজ্ঞানীরা তাদের কাজের মাধ্যমে আমাদের চমৎকৃত করেন। তাদের নিত্যনতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে আমাদের নানা ধরণের উপকার সাধন করে থাকেন। তাদের কর্ম আমাদের বিস্মিত করে, তাদের মত হতে আমাদের প্রেরণা যোগায়। আসুন আজ তেমনই কিছু জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের উক্তি জেনে নেইঃ


১) এটা খুবই আশ্চর্যজনক যে অসাধারণ ব্যক্তিদের অসামান্য কিছু আবিষ্কার পরবর্তীতে খুবই সামান্য হিসেবে বিবেচিত হয়- জর্জ সি লিচেনবার্গ (পদার্থবিদ)

২) আমাদের জানা পরিচিত যত কিছু আছে, তাদের সবকিছুকেই একটি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায় – ফিলোলাউস (বিজ্ঞানী ও দার্শনিক)

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ইতিহাসের সবচাইতে প্রাচীন দশ নারী!

বর্তমান পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে সাতশ কোটি। যার বেশিরভাগই নারী। রাস্তা-ঘাটে, কর্মস্থলে, বিনোদনের জায়গায়- কোথায় নেই তারা? কিন্তু একটা সময় ছিল যখন নারী কেন, পৃথিবীতে মানুষই ছিল হাতে গোনা। জানতে ইচ্ছে করে না এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে প্রথম নারী কে? অন্তত গবেষকেরা যাদের খোঁজ আজতক পেয়েছেন, তাঁদের সম্পর্কে তো জানাই যায়। আসুন জেনে নিই পৃথিবীতে নারী জাতির অগ্রজদেরকে! আজ রইলো প্রথম ৫ জনের কথা।
 
 

১. আর্দি

আর্দিপিথেকাস রামিডাস- প্রায় ৪.৪ মিলিয়ন বছর আগে ইথিওপিয়ায় বসবাসরত এই নারীকেই পৃথিবীর সবচাইতে পুরোনো মানবীর খুলির অধিকারী বলে মনে করা হয়। তার শরীরে অংশগুলো, যেমন- হাড় বা দাঁত মোট ১২৫ খন্ডে ছড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। আর্দির উচ্চতা ছিল ১.২ মিটার আর ওজন প্রায় ৫০ কেজি। ফল, পাতা ও ছোটখাটো প্রাণীর ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা আর্দির বড়বড় আঙ্গুলসহ হাত ও সামান্য কিছু মস্তিষ্ক ছিল। শিম্পাঞ্জি আর মানুষের একটা মিশ্র সংস্করণ ছিল এই নারী। বর্তমানে তার শরীর ইথিওপিয়ার জাতীয় জাদুঘরে রাখা আছে।
 

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

সবচেয়ে বড়লোক পাঁচ ‘টিনএজার’

তাদের বয়স এখনো কুড়ি হয়নি, কিন্তু সম্পত্তির দাম ছাড়িয়ে গেছে ১০ লক্ষ ডলার৷ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ‘টিনএজার’ বা ‘টিনস’ তারা৷ ছবিঘরে থাকছে এমন পাঁচজন তরুণ-তরুণী বড়লোকের কথা৷


নিক ডি’আলোয়িসিয়ো:

ইংল্যান্ডের প্রোগ্রামার৷ লন্ডনে জন্ম ১৯৯৫ সালের ১ নভেম্বর, সুতরাং বয়স এখনো ২০ বছরও হয়নি৷ এ বয়সেই তাঁর রয়েছে মোট ৩০ মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের সম্পত্তি৷ ঘরে বসে নিক তৈরি করেছিলেন ‘সামলি’ নামের এক ‘অ্যাপ’৷ তা চড়াদামে কিনে নেয় ইয়াহু৷ ২০১৪ সালে ‘অ্যাপল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড’-ও জিতেছেন নিক ডি’আলোয়িসিয়ো৷

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০১৫

বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর


আপনারা কি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের নাম শুনেছেন? তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত ফরাসী বিজ্ঞানী ছিলেন। তার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলো মানবজাতির ইতিহাসে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে এবং আজও রাখছে।

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রতিভাবান এই বিজ্ঞানী দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, বিভিন্ন রোগের টিকা, রসায়ন এবং বিভিন্ন রোগের প্রকৃতি সম্পর্কে গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন অনেক কিছুই। চলুন, এখন তার জীবনের কিছু মজার তথ্য, ঘটনা আর উক্তি সম্পর্কে জেনে নিই।

বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০১৫

দাড়িওয়ালা ‘মেয়েটি’

ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতা জিতে নিয়ে সাড়া জাগিয়েছিলেন তিনি৷ সেই থেকে ‘ড্র্যাগ কুইন’ কনচিটা ভুয়র্স্ট সংগীত জগতের তারকা৷ সম্প্রতি আত্মজীবনী লিখেছেন দাড়িওয়ালা ‘মেয়েটি’৷ চলছে নতুন অ্যালবামের কাজ৷ তাঁকে নিয়েই আজকের ছবিঘর৷



কনচিটার গল্প
বয়স ২৬৷ এই বয়সেই সাফল্যের অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছেন কনচিটা ভুয়র্স্ট, অর্থাৎ টোমাস নয়ভিয়র্ট৷ হ্যাঁ, গত বছর কনচিটা ভুয়র্স্ট নামে ইউরোভিশন জিতে বিশ্বব্যাপী তারকাখ্যাতি অর্জন করলেও অস্ট্রীয় এই শিল্পীর নাম আসলে টোমাস নয়ভিয়র্ট৷ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ইউরোভিশন ২০১৪-য় বাজিমাত করেছিলেন দাড়িওয়ালা মেয়ের চরিত্র কনচিটা ভুয়র্স্ট সেজে গান গেয়ে৷

বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

চার্লস ডারউইন || পৃথিবী বদলে দেয়া বিজ্ঞানী

পৃথিবীতে শত শত বিজ্ঞানী ছিলেন ও আছেন। তারা প্রতিনিয়ত বিজ্ঞানের জাদুকরী জগতটাকে নানাভাবে ভ্রমণ ও বিচার-বিশ্লেষণ করে চলেছেন। ভাবছেন, বিজ্ঞানকে কীভাবে মানুষের কল্যাণে আরও বেশি বেশি করে কাজে লাগান যায়-- এসব নিয়ে পরিশ্রম করেই কেটে যায় তাদের দিন-রাত্রি। কিন্তু এদের মধ্যে এমন কয়েকজন বিজ্ঞানী আছেন, যাদের অসাধারণ চিন্তাশক্তি ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা দিয়ে আমাদের পৃথিবীটাকেই বদলে দিয়েছেন।


পৃথিবীকে বদলে দেয়া তেমন একজন বিজ্ঞানী হলেন, ব্রিটিশ প্রকৃতিবিদ চার্লস ডারউইন। তার ‘বিবর্তনবাদ ও প্রাকৃতিক নির্বাচন’ সংক্রান্ত মতবাদ দিয়ে আমাদের চারপাশের জীবন ও জগত সম্পর্কে পৃথিবীর মানুষের ধারণাটাই পুরোপুরি পালটে দিয়েছেন। মানুষকে শিখিয়েছেন সম্পূর্ণ নতুনভাবে নিজেকে দেখতে। চলুন, আজ আমরা জেনে নেই এই মহান বিজ্ঞানী সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য—
কালজয়ী বৈজ্ঞানিক চার্লস ডারউইনের জন্ম হয় ১৮০৯ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি, ইংল্যান্ডে। আজীবন বিজ্ঞান সাধনার পর সেই ইংল্যান্ডেই তিনি ১৮৮২ সালের ১৯শে এপ্রিল, ৭৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০১৪

কিছু আলোচিত ছবি || মডেল নায়লা নাঈমের

বাংলাদেশি মডেল নায়লা নাঈম৷ সম্প্রতি তাঁর কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে৷ এই ছবিঘরে নায়লা নাঈমের বেশ কয়েকটি ছবি রয়েছে৷ সঙ্গে থাকছে তাঁর সম্পর্কে চমকপ্রদ বিভিন্ন তথ্য৷


শুরুটা যেভাবে

ছোটবেলা থেকেই মিডিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী ছিলেন নায়লা৷ ডেন্টাল কলেজে পড়ার সময় নিজের মেধা ও সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করার ইচ্ছা প্রবল হয়৷ শুরুটা এভাবেই৷ বর্তমান সময়ের আলোচিত মডেল নায়লা নাঈম সম্পর্কে আরো জানতে দেখুন পরের ছবিগুলো৷

সোমবার, ৭ জুলাই, ২০১৪

পৃথিবীর সবথেকে ক্ষুদে পূর্ন বয়স্কা নারী

যোতি আমজি মাত্র ৬২ সেমি লম্বা এ সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদে আকৃতির নারী। তার বর্তমান ওজন মাতে ১২ পাউন্ড অর্থাৎ ৫.৫ কেজি মাত্র, তার জন্মের পরে তার ওজন নিতান্ত বৃদ্ধি পাইনি বললে চলে। ১৮তম জন্মদিন যে কারো জন্য খুব খুশির হলেও এটা তার জন্য ছিল একটি অবিস্মরনিয় দিন। একননা এই দিন সে বিশ্বের সব থেকে ক্ষুদে নারীর ক্ষেতাব জিতেন। মাত্র ২ ফিট উচ্চতার এই কিশোরি ইন্ডিয়ার নাগপুরে থাকেন। সেখানে সে একজন জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ত। এক নামে সকলে তাকে চিনে। এমন জনপ্রিয়িতা কজনার কপালে জুটে। তাহলে চলেন এবার জেনে নেই তার সম্পর্কে কিছু তথ্য উপাথ্য।


বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০১৪

হার্লি জর্ডিয়ান : মার্বেল-রাজা


হার্লি জর্ডিয়ান কোনো সাধারণ বালক নয়। যখন তার বন্ধুরা কম্পিউটারে ভিডিও গেইমস খেলছে তখন সে ব্যস্ত মার্বেল সাপ্লাইয়ারদের অর্ডার দিতে আর ক্রেতাদের সামলাতে।

১১ বছরের এই ছোট্ট ব্যবসায়ী গত পাঁচ বছর ধরে ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে বসে সামলাচ্ছে তার মার্বেলের রাজ্য। তার প্রতিষ্ঠান এখন প্রতিবছর হাজার পাউন্ড আয় করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তার ক্রেতা আছে। সবাই ইন্টারনেটে তার কাছে মার্বেলের অর্ডার দেয়।
ছোট্ট হার্লি সংবাদমাধ্যমকে বলে, “আমার স্বপ্ন হল, একদিন একটি চেইন শপ দেব-- অনেকটা ওয়ালমার্টের মতো। এটা হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেলনার দোকান, যেখানে অনেক ধরনের মার্বেল পাওয়া যাবে।”

সুন্দর চেহারা পেতে ৪০ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ!

নিজের চেহারা সুন্দর দেখাতে ৪০ জন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ! নিজের ছবিতে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে এস্থার হোনিগ নামের এক নারী সাংবাদিক সম্প্রতি ৪০ জন ফ্রিল্যান্স ফটোশপ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছবিটি কতটা সুন্দর হয়েছে?


কথায় বলে, ‘যার নয়নে যারে লাগে ভালো’। এই পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতি ও বিভিন্ন সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু কীভাবে ‘সুন্দর’কে সংজ্ঞায়িত করা যাবে? মেকআপ আর ফটোশপ এখন সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজে লাগানো হচ্ছে কিন্তু এই সৌন্দর্যের মানদণ্ড কী দাঁড়িয়েছে? এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে পেশায় সাংবাদিক এস্থার হোনিগ ‘বিফোর অ্যান্ড আফটার’ নামের একটি প্রকল্পে কাজ করছেন।

চাইনিজ ব্যাক্তির নতুন নাক ।। Chinese Man With New Nose


পূর্ব চায়নার ফুজিয়ান প্রদেশে অবস্থিত, ফুজহু শহরে বসবাস করেন ২২ বছর বয়সি জিলিয়াওলিয়ান (Xiaolian), যিনি সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্মক ভাবে আহত হন। মূল আঘাত তার মুখের উপর আসায় তার নাক মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার ফলে তার নাকের কার্টিলেজ (হাড় বিশেষ) সম্পূর্ন ভাবে নষ্টো হয়ে যায়। ফলে নাকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায় চিরতরে। তার শ্বাস প্রশ্বাস চালু রাখার জন্য তার চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন বিকল্প শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যাবস্থা নিতে। তারা প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে তার কপালে একটি নকল নাক বসিয়ে দেয়। যা তার আসল নাকের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

এশিয়ার বার্বি পুতুল ।। Asian Barbie Doll


আজকে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব ১৭ বছর বয়স্কা জাপানি ওয়াং জিয়ুনের (Wang Jiayun) সাথে। যাকে বলা হয় এশিয়ার বার্বি। কারন, সে দেখতে অনেকটাই পুতুলের মত। একপলকে দেখে বোঝার উপায় নেই সত্যি মানুষ নাকি পুতুল। যদিও এরকম পুতুল সদৃশ্য অনেকেই আছে, কিন্তু তাদের সাথে ওয়াং জিয়ুনের পার্থক্য এতটুকুই যে সে কোন প্রকার প্লাস্টিক সার্জারি করে নাই। জাপানি হিসেবে জন্ম থেকেই তার চোখ বড়, আর সাথে একটু মেকাপ ব্যাস।
আসুন এবার তাহলে ১৭ বছর বয়স্কা ওয়াং জিয়ুনের আরো কিছু ছবি দেখে নেওয়া যাক,

বুধবার, ২ জুলাই, ২০১৪

বিল গেটস এর লিমুজিন আর অফিসের রিসেপ্সন ।। Bill Gates Limousine & Reception

বিল গেটস এর লিমুজিন

বিশ্বের সব থেকে লম্বা মানুষ ।। World's Tallest Human


আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব "রবার্ট পারসিং ওয়াডলো" (Robert Pershing Wadlow) এর সাথে, যিনি বর্তমানেও বিশ্বের সব থেকে উঁচু বা লম্বা মানুষের খেতাবের অধিকারি। তার জীবন কাল ১৯১৮ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত। মাত্র ২২ বছর বেঁচে ছিলেন তিনি, মৃত্যর সময় তার উচ্চতা ৮ ফুট ১১.১ ইঞ্চি আর ওজল ছিল ২২২.২৬ কেজি। তার এই অসাভাবিক লম্বা হবার পিছে দায়ি ছিল এলিজা সিলভা এর মত বৃহৎ পিটুটারি গ্লান্ড। এলিজা সিলভার চিকিৎসা যদি যথা সময়ে না হত তাহলে হয়ত এলিজা সিলভাকেও বেশি দিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হত না।
রবার্ট পারসিং ওয়াডলোর জন্ম হয় ১৯১৮ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি, আমেরিকার এলটোন শহরে। জন্মকালীন সময়ে তার ওজন ছিল ৩.৮ কেজি। অনেক আগেই সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করে, কেননা সে তার আরো চার ভাইদের তুলনায় অনেক তাড়াতাড়ি বড় হচ্ছিল, মাত্র ১৩ বছর বয়সেই তার উচ্চতা দাঁড়ায় ৭ ফুট ৪ ইঞ্চি। ১৮ বছর বয়সে তার উচ্চতা দাঁড়ায় ৮ ফুট ৪ ইঞ্চি আর ওজন ১৭৭ কেজি। তার পায়ের জুতার সাইজ ছিল ৩৭।

স্টিফেন হকিং এর স্কুল


স্টিফেন হকিংও স্কুলে পড়তেন। স্কুলের নাম সেইন্ট অ্যালবান্স স্কুল। স্কুলটি সম্প্রতি তহবিল সংগ্রহে নেমেছে। আর সেই আয়োজনে বক্তৃতা দেবেন স্বয়ং স্টিফেন হকিং। এমন কাজ কিন্তু একেবারে তার চরিত্রের বিপরীত। আর এই ঘটনাই প্রমাণ করে, স্কুলটির প্রতি তার আবেগ এখনও কত গভীর! এখন প্রশ্ন হল, স্কুলে থাকতে স্টিফেন হকিং কেমন ছিলেন? কেমনইবা ছিল তার ছোটবেলার ভালোবাসার স্কুল? এসব নিয়েই ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ এ লিখেছেন তার সহপাঠী মাইকেল চার্চ। সেই লেখাটিই বাংলায় তর্জমা করে দেওয়া হল।
স্টিফেন হকিংয়ের সঙ্গে সেইন্ট অ্যালবান্স স্কুলে আমরা যারা পড়তাম, সেসব দিনের স্মৃতি আমাদের আজও আনন্দ জোগায়। যেমন আনন্দ জোগায় স্টিফেনকেও। ছোটখাটো গড়নের স্কুল পড়ুয়া স্টিফেনের মধ্যে বেশ আনাড়িপনা ছিল। তবে সে বেশ দক্ষ ছিল সাইকেল চালানোয়। বিশেষ করে ধীরে সাইকেল চালানোতে সে ছিল রীতিমতো দক্ষ। পড়াশোনাতেও ছিল বেশ চটপটে। বিজ্ঞানের প্রতি তার পরিষ্কার ঝোঁক ছিল। তবে সে যে বিজ্ঞানী হিসেবে এমন অসম্ভব উচ্চতায় উঠবে, তার কোনো ইঙ্গিত কিন্তু সে সময় ছিল না।
হকিং খুব দ্রুত কথা বলত। কখনও কখনও তার স্বউদ্ভাবিত ভাষায়। যেমনঃ তার একটি শব্দ ছিল, উচ্চারণ অনেকটা এ রকম, ‘স্লিটাউট’।

বুধবার, ২৫ জুন, ২০১৪

মাইকেল জ্যাকসনের হাঁড়ির খবর



‘পপ কিং’ মাইকেল জ্যাকসনের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। মাত্রাতিরিক্ত প্রপোফল সেবনে ২০০৯ সালের ২৫ জুন মৃত্যুবরণ করেন তুমুল জনপ্রিয় মার্কিন এ পপ গায়ক, গীতিকার, নৃত্যশিল্পী, অভিনেতা ও ব্যবসায়ী। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও আজও তিনি বেঁচে আছেন অগণিত ভক্তের হূদয়ে। বেঁচে থাকতে বর্ণাঢ্য জীবনে অনেক ঘটনারই জন্ম দিয়েছিলেন প্রতিভাবান এই শিল্পী। উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু ঘটনা খুঁজে বের
করে জ্যাকসনের হাঁড়ির খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের টেলিগ্রাফ ডটকম।

এক বিস্ময় বালক


ডিগ্রি অর্জন করে চারদিকে হইচই ফেলে দিয়েছিল। ১৪ বছর বয়সী ক্যাবালিন এবার আত্মপ্রকাশ করেছে লেখক হিসেবে। লিখেছে ‘উই ক্যান ডু’ নামের বইটি। ‘মেধাবী’ শব্দটিতে বরাবরই আপত্তি রয়েছে ক্যাবালিনের। মেধা নয়, কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাসী এই বালক। আর এর মধ্যেমেই সাফল্য লাভ করা সম্ভব বলে মনে করে সে। এর প্রমাণও মিলেছে হাতেনাতে। মাত্র আট বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের ইস্ট লস অ্যাঞ্জেলেস কমিউনিটি কলেজে ভর্তি হয়েছিল ক্যাবালিন। নয় বছর বয়সে সে লাভ করে স্নাতক ডিগ্রি। তার গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (জিপিএ) ছিল ৪। এখন তার বয়স ১৪ বছর। এ বছরই |

বুধবার, ১৮ জুন, ২০১৪

ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ১০ নারী ।। 10 Most Powerful Women in History

সবাই ভাবে এই পুরুষতান্তিক সমাজে নারীর কোন ক্ষমতা নাই তাই নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে চলছে ব্যাপক তোড়জোড়। প্রাচীন কালে নারীরা কতটা অবহেলিত ছিল সেটা বলাই বাহুল্য। কিন্তু এতসবের পরও কিছু কিছু নারীরা ছিল ব্যাপক ক্ষমতাশালী। আমি সেই সমস্থ ক্ষমতাশালী নারীদের মধ্য থেকে সেরা ১০ জন নারীর পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করব। আমার দৃষ্টিতে যারা সেরা।
১০) একুইটাইনের ইলিনরঃ (জন্মঃ ১১২২ খ্রিষ্টাব্দ, মৃত্যুঃ ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)


ইলিনর ছিলেন উচ্চ মধ্য যুগের সময়কার ইউরোপ তথা পৃথিবীতে সবচেয়ে ধনী এবং ক্ষমতাশালী নারী। তার পিতার মৃত্যুর পর তিনি ক্ষমতায় বসেন যখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। দ্বাদশ শতাব্দীতে একুইটাইন ছিল ফ্রান্স এর সবচেয়ে সম্পদশালী এবং বড় প্রদেশ। ইলিনর সেই মধ্য যুগের নারীদের মত অশিক্ষিত ছিলেন না। তিনি এবং তার পরিবারের সবাই সুশিক্ষিত ছিলেন। ফ্রান্স এর রাজা লুইস VI এর সাথে ১১৩৭ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি ফ্রান্স এর রানী হন।তিনি ১১৪৭ সালে দ্বিতীয় ক্রুসেডে অংশগ্রহণ করেন তার স্বামীর সাথে। ইলিনর ছিলেন ঐ সময়কার ব্যবসা বাণিজ্য উন্নয়নের প্রতীক।