জানার কোন অন্ত নাই, জানার ইচ্ছা বৃথা তাই, ভেবে যদি জানার ইচ্ছাকে দমন করে রাখা হয় তবে সে জীবনের কোন অর্থ নাই। কিন্তু সব জানতে হবে এমন কোন কথা নাই, তবে জানার ইচ্ছা থাকা চাই। আমাদের এই জানা জানির ইচ্ছাকে সূত্র করে, আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেইজটি। আমাদের জানতে চাওয়ার ইচ্ছা পুরনের লক্ষে কখনো জেনেছি মহাকাশ নিয়ে, কখনো জেনেছি সমুদ্র নিয়ে, কখনো ডুব দিয়েছি কৌতুক এর মাঝে, আবার ভয়ে কেঁপেছি ভুতের গল্প পড়ে, কখনোবা শিউরে উঠেছি কিছু মানুষের কার্যকলাপ জেনে। কখনো জেনেছি নতুন আবিষ্কারের কথা, আবার জেনেছি আদি ঐতিহ্যের কথা, এত সব কিছু করেছি শুধু জানতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে। সর্বশেষে ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেজ এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম জানাই।

বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০১৪

সুন্দর চেহারা পেতে ৪০ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ!

নিজের চেহারা সুন্দর দেখাতে ৪০ জন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ! নিজের ছবিতে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে এস্থার হোনিগ নামের এক নারী সাংবাদিক সম্প্রতি ৪০ জন ফ্রিল্যান্স ফটোশপ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছবিটি কতটা সুন্দর হয়েছে?


কথায় বলে, ‘যার নয়নে যারে লাগে ভালো’। এই পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতি ও বিভিন্ন সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু কীভাবে ‘সুন্দর’কে সংজ্ঞায়িত করা যাবে? মেকআপ আর ফটোশপ এখন সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজে লাগানো হচ্ছে কিন্তু এই সৌন্দর্যের মানদণ্ড কী দাঁড়িয়েছে? এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে পেশায় সাংবাদিক এস্থার হোনিগ ‘বিফোর অ্যান্ড আফটার’ নামের একটি প্রকল্পে কাজ করছেন।
ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ২৫টি দেশের ৪০ জন ফটোশপ বিশেষজ্ঞকে কাজে লাগিয়েছিলেন তিনি। সব বিশেষজ্ঞের কাছে তিনি অনুরোধ করেছিলেন তাঁকে যতটা সম্ভব সুন্দর করে তুলতে। মজার বিষয় হলো এই প্রকল্পে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ফটোশপের একজন বিশেষজ্ঞও কাজ করেছেন।
এস্থার হোনিগ বলেন, ফটোশপের মাধ্যমে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত পছন্দ ও তাঁর সংস্কৃতির প্রতিফলন দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে সৌন্দর্য একেক জনের চোখে একেক রকম ভাবে ফুটে উঠেছে।


 হোনিগ তাঁর ওয়েবসাইটে
http://www.estherhonig.com
এই পরীক্ষাকে অত্যন্ত তথ্যবহুল বলেও উল্লেখ করেছেন।