জানার কোন অন্ত নাই, জানার ইচ্ছা বৃথা তাই, ভেবে যদি জানার ইচ্ছাকে দমন করে রাখা হয় তবে সে জীবনের কোন অর্থ নাই। কিন্তু সব জানতে হবে এমন কোন কথা নাই, তবে জানার ইচ্ছা থাকা চাই। আমাদের এই জানা জানির ইচ্ছাকে সূত্র করে, আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেইজটি। আমাদের জানতে চাওয়ার ইচ্ছা পুরনের লক্ষে কখনো জেনেছি মহাকাশ নিয়ে, কখনো জেনেছি সমুদ্র নিয়ে, কখনো ডুব দিয়েছি কৌতুক এর মাঝে, আবার ভয়ে কেঁপেছি ভুতের গল্প পড়ে, কখনোবা শিউরে উঠেছি কিছু মানুষের কার্যকলাপ জেনে। কখনো জেনেছি নতুন আবিষ্কারের কথা, আবার জেনেছি আদি ঐতিহ্যের কথা, এত সব কিছু করেছি শুধু জানতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে। সর্বশেষে ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেজ এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম জানাই।
|| যান্ত্রিক বাহন || লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
|| যান্ত্রিক বাহন || লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭

প্লেনে জানলার নীচে ছিদ্র থাকে কেন?


প্লেনে চড়েছেন নিশ্চয়ই। জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছেন। মুগ্ধ হয়ে দেখেছেন উপর থেকে নীচের দুনিয়াকে। খেয়াল করে দেখেছেন, জানলার একেবারে নীচে একটি ছিদ্র থাকে?

জানলায় ছিদ্র দেখে বা এই প্রতিবেদনের এইটুকু পড়ে ঘাবড়ে যা ওয়ার কিছু নেই। মনে করার কিছু নেই যে, ওটার জন্য প্রাণহানি হতে পারে। বরং উল্টোটাই।

এই ছিদ্রটি রাখা হয় বায়ুর চাপ মোকাবিলার জন্য। এই ছিদ্রটির জন্যই বিমানের জানলা ওই মারাত্মক বায়ুচাপেও ভেঙে যায় না।

শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

এয়ার ফোর্স ওয়ান, যাকে ঘিরে রহস্যের শেষ নেই

মার্কিন প্রেসিডেন্টের উড়ন্ত কমান্ড সেন্টার সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত বিমান৷ সেই এফডিআর-এর ‘ডিক্সি ক্লিপার’ থেকে বর্তমানের ‘বোয়িং ৭৪৭’, এয়ার ফোর্স ওয়ানের ইতিহাস এক নজরে দেখে নেই চলুন৷


প্রেসিডেন্টের বিমানযাত্রার সূচনাঃ
এয়ার ফোর্স ওয়ান আসলে একটি সুনির্দিষ্ট প্লেনের নাম নয়, বরং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা মার্কিন এয়ার ফোর্সের যে বিমান প্রেসিডেন্টকে বহন করে সেটিকে এই নামে আখ্যায়িত করে৷ ১৯১০ সালে থিয়োডোর রুসভেল্ট কার্যত অল্পক্ষণের জন্য একটি এয়ারক্রাফটে চড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমান যাত্রার সূচনা করেন৷

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০১৫

”এমএইচ৩৭০” খুজতে গিয়ে সমস্যা ও কিছু প্রাপ্তি

দেখতে দেখতে এক বছর হয়ে যাচ্ছে৷ এখনও খোঁজা হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ বিমানটি৷ বিমানে থাকা ২৩৯ জনের আত্মীয়রা এখনও আশায় বুক বেঁধে আছেন৷


মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ আর্থিক ব্যয়ে চারটি জাহাজ ভারত মহাসাগরের প্রায় ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় খোঁজ চালাচ্ছে৷ এর আগে এত বড় অঞ্চল জুড়ে তল্লাশি চালানোর কোনো ইতিহাস নেই৷ বিশাল এই কর্মযজ্ঞের প্রধান মার্টিন ডোলান বলেন, এর আগে এয়ার ফ্রান্সের একটি হারিয়ে যাওয়া বিমান খোঁজ করা হয়েছিল৷ বিমানটি ২০০৯ সালে রিও ডি জানেইরো থেকে প্যারিস যাওয়ার পথে হারিয়ে গিয়েছিল৷ এরপর প্রায় দুই বছর ধরে তল্লাশি চালানোর পর বিমানটি পাওয়া গিয়েছিল৷ তবে সেসময় সাগরের যতটুকু অংশে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়েছিল সেটা বর্তমান কাজের মাত্র এক চতুর্থাংশ বলে জানান ডোলান৷

বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৫

২০১৪ সালে ঘটে যাওয়া কয়েকটি বিমান দুর্ঘটনা

রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
এয়ারএশিয়ার এয়ারবাসটি ইন্দোনিশেয়ার সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল৷ উড্ডয়নের ৪০ মিনিট পর রবিবার ভোরে বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রকদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়৷ আর সেই সময়ের পর থেকে বিমানটির আর কোনো হদিশ পাওয়া যায়নি৷ উদ্ধার অভিযান চলছে৷ বিমানটিতে ১৬২ জন আরোহী রয়েছেন৷

মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০১৪

মটরসাইকেল ।। বিশ্বের সব থেকে বড় মটরসাইকেল


বিশ্বের সব থেকে বড় এই মটরসাইকেল (Chopper) ১০ মিটার লম্বা এবং ২ মিটার চওড়া। এর ইঞ্জিন, ৫.৭ লিটারের ভি৮ (V8) ইঞ্জিন। এই মটরসাইকেলটি ডিজাইন করেছেন ইতালির "ফেবিও রেগজানি" (Fabio Reggiani), আর মটরসাইকেলটি তৈরি করতে ফেবিও রেগজানি সহ মোট ৮ জনের সময় লেগেছে ৭ মাস। মটরসাইকেলটি বর্তমানে Guinness Book of World Records এ সব থেকে বড় মটরসাইকেলের স্থান দখল করে আছে।
আসুন তাহলে এবার এই মটরসাইকেলে তৈরি হবার সময় থেকে প্রদর্শনি পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে আরো কিছু ছবি দেখে নেওয়া যাক,

সোমবার, ৩০ জুন, ২০১৪

সব থেকে দ্রুতগামী এবং শক্তিশালী যে বাইকটি


আচ্ছা আপনাদের কি মনে আছে সেই ১০টি বাইকের কথা, আরে ঐ যে "বিশ্বের সবথেকে দ্রুতগতীর ১০ টি বাইক" লেখাটিতে যে ১০টি বাইকের কথা বলেছিলাম। লেখাটিতে "ডজ টমাহ্যোক" (Dodge Tomahawk) বাইকটির কথা মনে আছে নিশ্চয়। আচ্ছা মনে না পরলে সমস্যা নেই মনে করিয়ে দেই, চার চাক্কার এই বাইক হচ্ছে পৃথিবীর সব থেকে দ্রুতগামী বাইক। এটি ৯৭ মাইল প্রতি ঘন্টার গতীতে উঠতে সময় নেয় মাত্র ২.৫ সেকেন্ড। আর যদি আপনি নিউটনের ৩য় সূত্রের কথা ভূলে যান তাহলে প্রতি ঘন্টায় এই বাইকের গতি ৬৪০ কিমি করে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। যদিও এটা শুধু মাত্র কাগজ কলমে সম্ভব কেননা আমাদের পৃথিবীর মধ্যাকার্ষন শক্তি ও বাতাসের বাঁধার কারনে এই গতীর বাস্তব রূপ দেখা অসম্ভব। ৮.৩ লিটারের ১০ সিলিন্ডার বিশিষ্ট ৫০০ অর্শ শক্তি সম্পন্ন ইঞ্জিন রয়েছে এই বাইকে। তাহলেই বুঝুন কেমন দ্রুতগামি এই বাইক। আর আজ আমি এই বাইক সম্পর্কে কিছু আলোচনা করব। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

রবিবার, ২৯ জুন, ২০১৪

হোভার ‘গাড়ি’


ইসরাইলের তেল আবিব শহরে উন্নত নেটওয়ার্কের হোভার গাড়ি তৈরি করতে যাচ্ছে নাসা রিসার্চ পার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্কাইট্র্যান। স্কাইট্র্যানের তথ্য অনুসারে, এর জন্য বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের সাহায্যে ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (IAI) প্রাঙ্গনে পাঁচশ’ মিটার বাঁকানো আকৃতির চৌম্বক ট্র্যাক তৈরি করা হবে। এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ এর কাজ শেষ হবে এবং পুরোদমে চালু হবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। হোভার গাড়ি মূলত এমন একটি যান হবে যা মাটি থেকে কয়েক মিটার উচ্চতায় ভাসমান অবস্থায় চলাচল করতে পারবে। বিশেষ এই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া প্রতিষ্ঠান স্কাইট্র্যান জানিয়েছে, তারা আশাবাদী যে পরীক্ষামূলক ট্র্যাকটি প্রমাণ করতে পারবে প্রযুক্তিটি কাজ করে এবং পরবর্তীতে বাণিজ্যিকভাবেও এর প্রচলন শুরু হবে। পরিকল্পনা অনুসারে, স্মার্টফোনের মাধ্যমেই যাত্রী এই ধরনের যান ডাকতে এবং নির্দিষ্ট

বুধবার, ২৫ জুন, ২০১৪

সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি উদ্ভট যুদ্ধ যান

সোভিয়েত ইউনিয়ন, এক শক্তির নাম। এই সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেংগে গেছে বহুদিন আগে কিন্তু আজও এই সোভিয়েত আমলে তৈরি অনেক কিছুই আছে যা আমাদের আকর্ষন করে বিশেষ করে অবাক করে। যখন সারা বিশ্বের মানুষ যা কল্পনাও করতে পারত না এরা অতিগোপনে তা আবিস্কার পর্যন্ত করে ফেলেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের সব থেকে বড় জয় হচ্ছে মহাশুন্যকে জয় করা। এরা যেমন প্রথম মহাকাশ জয় করেছিল তেমনি প্রথম নারী মহাকাশচারী পাঠিয়েছিল মহাশুন্যে। আজ সে সব কথা না বরং আজ আপনাদের জানাবো এই সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলে তৈরি করা কিছু উদ্ভট কিন্তু অত্যান্ত কার্যকর কিছু সামরিক যানের কথা, যে গুলি দেখে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।


মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০১৪

বিশ্বের সবথেকে দ্রুতগতীর ১০ টি বাইক

বাইক নামটির সাথে কেমন জানি জড়িয়ে আছে এক উন্মাদনার নাম। বাইকে বসলেই শিকল ভেংগে এগিয়ে যাওয়ার এক প্রবল উন্মাদনা ভর করে। আর যদি স্বাদের এই বাইক হয় পৃথিবীর দ্রুতগামী বাইক গুলির মধ্যে একটি। তাহলে তো আর কোন কথাই নাই। আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব বিশ্বের সব থেকে দ্রুতগামি ১০ টি বাইকের সাথে। যারা তাদের দ্রুতগতীর জন্য রাজত্ব করছে এই ধরনীর বুকে।
সাধারনত উড়জাহাজ বা প্লেন ৯৫০ কিঃমিঃ প্রতি ঘন্টার গতীতে চলে, যা কিনা পৃথিবীর সব থেকে দ্রুতগামী বাইকের গতীর মাত্র ৩০%। আর এই বাইকের নাম "Tomahawk"। প্লেনের সাথে এর পার্থক্য শুধু একটাই, আর তা হল প্লেন আকাশে উড়ে আর বাইক উড়ে না। কিছু লোকের আদম্য প্রচেষ্টার কারনে মাত্র দু চাকার এই বাহন আজ এত দ্রুতগতী সম্পন্ন হয়েছে। তাহলে আর দেরি না করে শুরু করি পৃথিবীর সব থেকে দ্রুতগতীর দশটি বাইকের গল্প।

০১) Dodge Tomahawk: