জানার কোন অন্ত নাই, জানার ইচ্ছা বৃথা তাই, ভেবে যদি জানার ইচ্ছাকে দমন করে রাখা হয় তবে সে জীবনের কোন অর্থ নাই। কিন্তু সব জানতে হবে এমন কোন কথা নাই, তবে জানার ইচ্ছা থাকা চাই। আমাদের এই জানা জানির ইচ্ছাকে সূত্র করে, আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেইজটি। আমাদের জানতে চাওয়ার ইচ্ছা পুরনের লক্ষে কখনো জেনেছি মহাকাশ নিয়ে, কখনো জেনেছি সমুদ্র নিয়ে, কখনো ডুব দিয়েছি কৌতুক এর মাঝে, আবার ভয়ে কেঁপেছি ভুতের গল্প পড়ে, কখনোবা শিউরে উঠেছি কিছু মানুষের কার্যকলাপ জেনে। কখনো জেনেছি নতুন আবিষ্কারের কথা, আবার জেনেছি আদি ঐতিহ্যের কথা, এত সব কিছু করেছি শুধু জানতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে। সর্বশেষে ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেজ এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম জানাই।

রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭

প্লেনে জানলার নীচে ছিদ্র থাকে কেন?


প্লেনে চড়েছেন নিশ্চয়ই। জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছেন। মুগ্ধ হয়ে দেখেছেন উপর থেকে নীচের দুনিয়াকে। খেয়াল করে দেখেছেন, জানলার একেবারে নীচে একটি ছিদ্র থাকে?

জানলায় ছিদ্র দেখে বা এই প্রতিবেদনের এইটুকু পড়ে ঘাবড়ে যা ওয়ার কিছু নেই। মনে করার কিছু নেই যে, ওটার জন্য প্রাণহানি হতে পারে। বরং উল্টোটাই।

এই ছিদ্রটি রাখা হয় বায়ুর চাপ মোকাবিলার জন্য। এই ছিদ্রটির জন্যই বিমানের জানলা ওই মারাত্মক বায়ুচাপেও ভেঙে যায় না।

গড়ে প্রতিটি বিমানের জানলায় তিনটি স্তরে কাচ থাকে। বায়ুচাপের কথা ভেবে বাইরের এবং মাঝখানের কাচগুলি লাগানো হয়। ভারসাম্য তৈরিতে এই কাচ দু’টির ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ছিদ্রটি মাঝখানের কাচেই থাকে। মাটি থেকে ৩৫ হাজার ফিট উঁচুতে বায়ুচাপের পরিমাণ কেমন? প্রতি ইঞ্চিতে দেড় কেজি! এই বায়ুচাপে মানুষের পক্ষে সজ্ঞানে থাকা কঠিন। সে কারণে বিমানের ভিতরে বেশি বায়ুচাপ বজায় রাখতে হয়। গড়ে প্রতি ইঞ্চিতে সাড়ে তিন কেজি বায়ুচাপ বজায় রাখা হয়।

এই ছিদ্রগুলি বায়ুচাপের এই তারতম্যের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে।

কোন মন্তব্য নেই: