জানার কোন অন্ত নাই, জানার ইচ্ছা বৃথা তাই, ভেবে যদি জানার ইচ্ছাকে দমন করে রাখা হয় তবে সে জীবনের কোন অর্থ নাই। কিন্তু সব জানতে হবে এমন কোন কথা নাই, তবে জানার ইচ্ছা থাকা চাই। আমাদের এই জানা জানির ইচ্ছাকে সূত্র করে, আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেইজটি। আমাদের জানতে চাওয়ার ইচ্ছা পুরনের লক্ষে কখনো জেনেছি মহাকাশ নিয়ে, কখনো জেনেছি সমুদ্র নিয়ে, কখনো ডুব দিয়েছি কৌতুক এর মাঝে, আবার ভয়ে কেঁপেছি ভুতের গল্প পড়ে, কখনোবা শিউরে উঠেছি কিছু মানুষের কার্যকলাপ জেনে। কখনো জেনেছি নতুন আবিষ্কারের কথা, আবার জেনেছি আদি ঐতিহ্যের কথা, এত সব কিছু করেছি শুধু জানতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে। সর্বশেষে ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেজ এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম জানাই।

রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭

মনমুগ্ধকর বিমানবন্দর

সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত৷ ২০১৮ সালে এই বিমানবন্দরে নতুন একটি টার্মিনাল যুক্ত হবে, যার ফলে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বিমানবন্দরটি৷ ছবিঘরে দেখুন:


মানুষের মনকে যা প্রফুল্ল করবে
চাঙ্গি এয়ারপোর্ট গ্রুপের মুখপাত্র রবিন গোহ বলেছেন, ‘‘আমরা এমন একটা বিমানবন্দর বানানোর পরিকল্পনা করছি, যেখানে খোলা জায়গায় যা যা করা সম্ভব, সেসব করা যাবে৷’’ ঝর্ণার পানির আওয়াজ বিমানবন্দরের মানুষের মনকে প্রফুল্ল করবে বলে আশা করছেন তিনি৷


গ্রিন এয়ারপোর্ট
কংক্রিটের মেঝে আর কাঁচের বিশাল বিশাল জানালা৷ বিশ্বের বেশিরভাগ বিমানবন্দরই অনেকটা এরকম৷ কিন্তু জুয়েল চাঙ্গি বিমানবন্দর এই চিরাচরিত চেহারাকে বদলে দিতে চলেছে৷ ২০১৮ সালে এই বিমানবন্দরের কাজ শেষ হবে এবং ২০১৯ সালে চালু হবে নতুন একটি ‘গ্রিন এয়ারপোর্ট’৷


প্রাকৃতিক পরিবেশের আমেজ
টার্মিনালের আকৃতি অনেকটা বন্ধ স্টেডিয়ামের মতো৷ এই বিমানবন্দরের ভেতরে থাকে লাখো গাছপালা৷ এমনকি এয়ারপোর্টের ভেতরে একটি কৃত্রিম ঝর্ণাও আছে৷ ১০ তলা বিমানবন্দরের ভেতর প্রাকৃতিক পরিবেশের পাশাপাশি শিশুদের জন্য থাকবে পার্ক৷ তার সঙ্গে হোটেল আর শপিং মল তো থাকছেই৷


সবচেয়ে বড় কৃত্রিম ঝর্ণা
কৃত্রিম ঝর্ণাটির দৈর্ঘ্য হবে ৪০ মিটার৷ অর্থাৎ এটি বিশ্বের যে কোনো কৃত্রিম ঝর্ণার চাইতে বড় হবে৷ এর আশেপাশে থাকবে রেস্তোরাঁ আর বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা৷


লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো
ঝর্ণার জলধারায় ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো’ নতুন নয়৷ সিঙ্গাপুরের জুয়েল চাঙ্গি বিমানবন্দরেও থাকছে এরকম একটা শো৷ অর্থাৎ রাতেরবেলায় বিশালাকার ঐ কৃত্রিম ঝর্ণাতে দেখা যাবে ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো’৷ ইসরায়েলের স্থপতি মোশে সাফদী এমন ঝর্ণা তৈরি করে ইতিমধ্যেই অনেক পুরস্কার পেয়েছেন৷


বিমানবন্দরের ভেতর নদী-নালা
ঝর্ণা ছাড়া বিমানবন্দরের ভেতর ছোট ছোট নদী বা নালার মতো বয়ে যাবে৷ জুয়েল চাঙ্গি আসলে একটি নতুন টার্মিনাল, যেটা চাঙ্গি বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনালের পুরোনো পাকিং এলাকায় নির্মাণ হচ্ছে৷ তবে অন্য পুরোনো টার্মিনালগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকবে এটি৷


বিশ্ব দরবারে নিজেদের দৃষ্টান্ত তুলে ধরবে জুয়েল চাঙ্গি
গার্ডেন সিটি হিসেবে অনেক আগে থেকেই নিজের পরিচয় বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছে সিঙ্গাপুর৷ তাদের বিশ্বাস, নতুন এই টার্মিনালের কারণে বিশ্বের বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে তারা৷

লেখকঃ জুয়েল চাংগি
সম্পাদনায়ঃ Astutest Nayem

কোন মন্তব্য নেই: