জানার কোন অন্ত নাই, জানার ইচ্ছা বৃথা তাই, ভেবে যদি জানার ইচ্ছাকে দমন করে রাখা হয় তবে সে জীবনের কোন অর্থ নাই। কিন্তু সব জানতে হবে এমন কোন কথা নাই, তবে জানার ইচ্ছা থাকা চাই। আমাদের এই জানা জানির ইচ্ছাকে সূত্র করে, আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেইজটি। আমাদের জানতে চাওয়ার ইচ্ছা পুরনের লক্ষে কখনো জেনেছি মহাকাশ নিয়ে, কখনো জেনেছি সমুদ্র নিয়ে, কখনো ডুব দিয়েছি কৌতুক এর মাঝে, আবার ভয়ে কেঁপেছি ভুতের গল্প পড়ে, কখনোবা শিউরে উঠেছি কিছু মানুষের কার্যকলাপ জেনে। কখনো জেনেছি নতুন আবিষ্কারের কথা, আবার জেনেছি আদি ঐতিহ্যের কথা, এত সব কিছু করেছি শুধু জানতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে। সর্বশেষে ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেজ এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম জানাই।

রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭

লবণাক্ত খাবার খেলে পানি পান করার আগ্রহ কমে


আমরা যারা লবণাক্ত খাবার খেতে পছন্দ করি,তারা মাঝে মাঝে খাবার শেষ হয়ে যাবার পর বাড়তি যে লবণটুকু থাকে, তাও চেটেপুটে খেয়ে ফেলি। তৈলাক্ত জাতীয় খবার কিংবা চিপস চানাচুর এই ধরণের খাবার খাওয়ার পর বড় এক গ্লাস পানি না খেলে আমাদের চলে না। অনেকে মনে করেন, আমরা যে এই লবণাক্ত খাবার খাই তা আমাদের বেশি পরিমাণে পানি পান করতে সাহায্য করে। কিন্তু সম্প্রতি নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে,লবণাক্ত খাবার খাওয়ার পর যে পরিমাণ পানি পান করা হয়ে থাকে, তা আমাদের শরীরের জন্য বিপুলাংশে ক্ষতিকর। কারণ, এরপর আমরা আর কোন বাড়তি পানি পান করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য এই বাড়তি পানি দরকার।

বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণায় কিছু সংখ্যক মানুষের খাবারে পরিমাণের চাইতে বেশি পরিমাণে লবণ মিশ্রিত করেন। তাদের ধারণায় এটি থাকে যে বেশি পরিমাণ লবণ খেলে তাদের পানি খাবার ইচ্ছেটা বেশি করে হবে এবং ফলশ্রুতিতে তাদের মূত্রত্যাগের পরিমাণ বেশি হবে। কিন্তু গবেষণায় তারা অবাক হয়ে লক্ষ্য করেন যে, যারা লবণ মিশ্রিত খাবার বেশি খাচ্ছেন,তারা প্রয়োজনের তুলনায় পানিও কম পান করছেন। তারা শুধুমাত্র মানুষ নয়, ইঁদুরের ওপরেও এই গবেষণাটি চালান। ফলাফল একই।

বিজ্ঞানীদের এতদিন ধারণা ছিল, লবণাক্ত খাবার বেশি খেলে মানুষের মূত্র উৎপাদন করার হার বেশি থাকে, ফলে তারা পানিও পান করে বেশি। কিন্তু তাদের বর্তমানের এই গবেষণার ফলে দেখা যাচ্ছে যে, লবণাক্ত খাবার খেলে পানি পান করার আগ্রহ আরো কমে যায়। তাই বিজ্ঞানীরা লবণাক্ত খাবার কম খাবার পরামর্শ দিয়েছেন।

সূত্রঃ স্মিথসোনিয়ান
সম্পাদনায়ঃ দুরন্ত পথিক

কোন মন্তব্য নেই: