জানার কোন অন্ত নাই, জানার ইচ্ছা বৃথা তাই, ভেবে যদি জানার ইচ্ছাকে দমন করে রাখা হয় তবে সে জীবনের কোন অর্থ নাই। কিন্তু সব জানতে হবে এমন কোন কথা নাই, তবে জানার ইচ্ছা থাকা চাই। আমাদের এই জানা জানির ইচ্ছাকে সূত্র করে, আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেইজটি। আমাদের জানতে চাওয়ার ইচ্ছা পুরনের লক্ষে কখনো জেনেছি মহাকাশ নিয়ে, কখনো জেনেছি সমুদ্র নিয়ে, কখনো ডুব দিয়েছি কৌতুক এর মাঝে, আবার ভয়ে কেঁপেছি ভুতের গল্প পড়ে, কখনোবা শিউরে উঠেছি কিছু মানুষের কার্যকলাপ জেনে। কখনো জেনেছি নতুন আবিষ্কারের কথা, আবার জেনেছি আদি ঐতিহ্যের কথা, এত সব কিছু করেছি শুধু জানতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে। সর্বশেষে ।। জ্ঞানের সন্ধানে।। পেজ এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম জানাই।

রবিবার, ২৯ জুন, ২০১৪

অবৈধ পণ্য সনাক্ত করবে "মিনি জেড"



অর্থ, অস্ত্র এবং মাদক খুঁজতে সক্ষম এমন এক্স-রে ডিভাইস তৈরি হয়েছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আমেরিকান সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ভিন্নধর্মী এই এক্স-রে ডিভাইসটির নাম দিয়েছে ‘মিনি জেড’। এক প্রতিবেদনে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল জানিয়েছে, মিনি জেড তৈরিতে ব্যবহার ব্যবহার করা হয়েছে বিমানবন্দরে ব্যবহৃত প্রচলিত জেড ব্যাকস্ক্যাটার প্রযুক্তি। তবে বিমানবন্দরের প্রযুক্তির তুলনায় মিনি জেডের এক্স-রে রশ্মির ক্ষমতা অনেক কম। কিন্তু তা সত্ত্বেও কয়েক ফিটের মধ্যে থাকা অর্থ, অস্ত্র, মাদক নির্ণয় করার মতো ক্ষমতা রয়েছে মিনি জেডে। ডিভাইসটির সঙ্গে একটি ট্যাবলেট সংযুক্ত করে স্ক্যানকৃত বস্তুর ছবি দেখাও সম্ভব হবে।
এটি কোনো নৌকার ভেতরে বা দেয়ালের অভ্যন্তরে লুকিয়ে রাখা জিনিস দেখাতে পারলেও এর এক্স-রে রশ্মির সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশি চালাতে হলে পুলিশ ওয়ারেন্টের প্রয়োজন পড়বে বলেই জানিয়েছে ম্যাশএবল। জেড ব্যাকস্ক্যাটার প্রযুক্তি জৈব পদার্থের পাশাপাশি ধাতব বস্তুও চিহ্নিত করতে পারবে। ডেইলি মেইলের তথ্য অনুসারে, থ্রিডি প্রিন্টেড প্লাস্টিক অস্ত্রও এই ডিভাইসটির মাধ্যমে সনাক্ত করা যাবে। আর এটি চালাতে সামান্য প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বলেই জানিয়েছেন নির্মাতারা। ডিফেন্স ওয়ান ব্লগের তথ্য অনুসারে, শিক্ষাপ্রাপ্ত নয় এমন কোনো ব্যক্তিও সহজেই ডিভাইসটি চালাতে পারবেন। আর অভিনব এ ডিভাইসটিতে ব্যাকস্ক্যাটার প্রযুক্তি স্থাপন করতেই সাত বছর সময় লেগেছে বলে জানিয়েছে ডিফেন্স ওয়ান। মিনি জেড প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে আমেরিকান সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জনিয়ারিংয়ের প্রধান নির্বাহী চাক ডগার্টি বলেছেন, প্রতিকূল পরিবেশে সম্ভাব্য দ্রুত এবং সঠিকভাবে সম্ভাব্য হুমকি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের এবং সীমান্তরক্ষীদের জন্য ডিভাইসটি ‘গেইম-চেঞ্জার’।