প্রাণিজগতের মজার কয়েকটি ছবি নিয়েই আজকের এই বিশেষ রচনাটি। এই ছবিগুলোর
সবকয়টিই মা আর তার ছানাদের নিয়ে। অনেকেই ভাবতে পারে, হঠাৎ মা আর তার
ছানাদের নিয়ে ফটো ফিচার কেন? আজ যে মা দিবস। আর মা তো মা-ই; সে আমাদেরই হোক
কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর। মা যে সন্তানের জন্য কতটা কাছের, কতটা আপন, তা
এই ছবিগুলো দেখে বোঝা যায়।
ওরে বাবা, মাকে গর্জন করতে দেখে বাচ্চাটাও দেখছি বেশ গর্জন করা শিখে গেছে। কী বলছে বাচ্চা চিতাটা ওর মাকে? “অনেক গর্জন করেছ মা, এবার থেকে আমিই গর্জন করার কাজটা করব...”-- এমন কিছু হয়তো?
হুমম্, এতদিনে বোঝা গেল, কেন পেঙ্গুইনকে বলা হয় ‘কোট পরা ভদ্রলোক’। বাচ্চাটার গায়ে এখনও কালো কোটের মতো পশম হয়নি। বড় হলে নিশ্চয়ই হবে। কিন্তু তাই বলে কি আর মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত থাকবে ওই ‘কোট-না-পরা’ ভদ্রবাবুটা?
এটা হলো বুনো শুকর। খুব ভয়ঙ্কর প্রাণী। রেগে গেলে আর বেকায়দায় কাউকে পেলে একদম দফারফা করে ছেড়ে দেবে। কিন্তু বাচ্চাটাকে আদর করতে দেখে কে বলবে যে এরা এত ভয়ঙ্কর!
শামুক খুব ধীরে চলে। এ জন্য অনেকের একটু ধীরগতির চলাফেরা দেখলেই আমরা বলি ‘শম্বুকগতি’। তা যে গতিরই হোক-- মা-শামুকটা বাবুটাকে পিঠে নিয়ে ঘুরতে বের হল, তাতে বাবু-শামুকটার কী আনন্দ! কারণ, ও যে ওর মায়ের চেয়েও ধীরগতিতে হাঁটে!
পান্ডা পৃথিবীর বিপন্ন প্রাণীগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই পান্ডাকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে বিজ্ঞানীরা অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আর মা-পান্ডা যতদিন বেঁচে আছে, ততদিন বাচ্চাটাকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করেই যাবে-- ছবি দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে।
বনের সিংহী যখন শিকারে বের হয়, সবাই কেমন ভয়ে ভয়ে থাকে। ভাবে, এই বুঝি ঘাড়ের উপর ঝাঁপ দিয়ে পড়ল! কিন্তু বাচ্চাদের সঙ্গে খেলতে দেখে কেউ কি বলবে, এই সিংহীটা এত ভয়ঙ্কর!
শ্বেত ভল্লুক কিন্তু শুধু মেরু অঞ্চলে পাওয়া যায়। ওদের আবার বেশি গরম লাগে কি না, তাই বরফের দেশ ছাড়া ওরা থাকতে পারে না। তা বাপু যে দেশই হোক, গরম কিংবা ঠাণ্ডা, মায়ের আদর কি আর কমে তাতে? ভালুকছানা দুটোও কেমন হুটোপুটো করে খেলছে মায়ের সঙ্গে।
কত্ত বড় প্রাণী এই হাতি। আর বাচ্চাটা কত ছোট। অথচ মা হাতিটা ঠিক ঠিক বাচ্চাটার দিকে খেয়াল রেখে শুঁড় বাড়িয়ে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের মায়েরা যেমন হাত ধরে নিয়ে যায়, হাতির তো আর তেমন হাত নেই, তাই শুঁড়ই ভরসা। হাতির বাচ্চাটাও ছোট্ট শুঁড় দিয়ে কেমন জড়িয়ে ধরেছে মাকে!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন